সময় অসময়ে হারিয়ে যাই আমি প্রকৃতির মহারাজ্যে৷ সেখানে গিয়ে আমি অচিন পাখির মত ঘুরে বেড়াই৷ সামান্য খাবার আমার ভাগ্যে জুটে না৷ উদ্ভ্রান্ত হয়ে দিকবিদিক আমি ছোটাছুটি করি৷ পিপাসার মুহূর্তটুকুও আমার কাছে যেন অদ্ভুত মনে হয়৷
দিনলিপি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দিনলিপি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রবিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৮
মঙ্গলবার, ২০ মার্চ, ২০১৮
দিনলিপি [১১] ২১-০৩-২০১৮
মুহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহ
ভাইয়া ! আমার পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত তুমি আর যেও না। অনেকদিন পর বাসায় গেলাম, আম্মু আর ফুফু বারবার খেতে বলছিল। কারণ ভর দুপুরে অন্য মানুষের বাসায় গেলেও খেতে বলবে। এটাই স্বাভাবিক। আর সেখানে নিজের বাসায় তো স্বয়ং রান্নাঘরের হাড়ি পাতিলগুলোই তো খাওয়ার জন্য ডাকে। বাসায় সবাই ছিল, কিন্তু এতক্ষণে মাহবুব (৫ম শ্রেণি) মাহবুবা (৩য় শ্রেণি) মানে আমার ছোট ভাইবোনের চিল্লাচিল্লি পর্যন্ত কানে আসল না। পরে আম্মু বলল যে, ওরা স্কুলে, একটু পরে আসবে। এতদিন পর বাসায় এসে ওদেরকে ছাড়া কোন কিছু করার কল্পনাও করা যায় না।সোমবার, ১৯ মার্চ, ২০১৮
ঝিঁঝিঁপোকার ডাক, পরকালীন ভাবনার উদয়
ছাইদুর রহমান
পশ্চিম আকাশে সন্ধ্যার লালিমা আভা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে। আকাশের বুকে মাথা তুলেছে অগণিত তারকা। শুয়ে শুয়ে পড়তে বিরক্তিকর লাগছিল, তাই পড়ার টেবিলে বসেছি। ইলেক্ট্রিসিটি নেই, গরমের দিনে এই এক সমস্যা। বারবার ইলেক্ট্রিসিটি চলে যায়। আর মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছে। মোমের আলোতেই পড়ার কাজ চালিয়ে নিচ্ছি আপাতত, মোমের নরম আলো চোখে আরাম দেয়, তন্দ্রালু একটা ভাব চলে আসে। টেবিলের পাশেই দক্ষিণের জানালাটা হাট করে খোলা, হুহু করে প্রবেশ করছে আম্র-মুকুলের সুবাস মিশ্রিত ফুরফুরে বাতাস, শরীর-মন বেশ ফুরফুরে হয়ে উঠেছে সে বাতাসে।
শুক্রবার, ১৬ মার্চ, ২০১৮
প্রকৃতির সান্নিধ্যে হারিয়ে যাবো!
দাঁতে দাঁত চেপে বসে আছি৷ পড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আপ্রাণ৷ পারছি না তেমন৷ মনোসংযোগ সৃষ্টি হচ্ছে না এক বিন্দুও৷ ক্ষণেক্ষণেই ছিন্ন হচ্ছে৷ কিন্তু না, আমাকে যে পারতেই হবে৷ পড়ালেখায় মন বসাতেই হবে৷ আপন করে নিতে হবে বইকে৷ যেমনটা আপন ছিলো— এই কিছুদিন পূর্বেও৷ বইকেই বানাতে হবে বন্ধু৷ বই-ই তো প্রকৃত সুহৃদ৷ সে ধোঁকা দেয় না৷ তাকে যতো আপন করে নিতে চাবো৷ সে ততোই আপন হবে৷ একান্তই আপন৷ শুধুই আমার৷ আর কেউ এতে ভাগ বসাতে পারবে না৷ অথবা আগে থেকেই কেউ কাবাবের হাড্ডি হয়ে বসবে না৷
দিনলিপি [নয়]
বাবাহারা ছেলেটা লিখতে ভুলে গিয়েছিল।
সারাদিন মনমরা হয়ে থাকত। ভাল না লাগাটা ছিল নিত্যদিনের রুটিন। জানালার গ্রীল ধরে আনমনে আকাশের দিকে তাকিয়ে কি যে, ভাবত নিজেও জান তো না। নিজেকে মনে করত সমাজের বোঝা, ঊষার আলোর আগে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পারলেই যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে। জীবনে যে ঘুরে দাড়ানো সম্ভব তা ও ভুলে গিয়েছিল। একটা সময় কত মানুষকে বুঝিয়েছে, দিয়েছে সঠিক সমাধান, কখনো ভেঙে পড়তে দেয়নি প্রতিবেশীদের। কিন্তু কালক্রমে নিয়তির কাছে ধরা দিয়ে খালি চোখে সরষেফুল ছাড়া কিছুই দৃষ্টিতে আটকাতো না।
সারাদিন মনমরা হয়ে থাকত। ভাল না লাগাটা ছিল নিত্যদিনের রুটিন। জানালার গ্রীল ধরে আনমনে আকাশের দিকে তাকিয়ে কি যে, ভাবত নিজেও জান তো না। নিজেকে মনে করত সমাজের বোঝা, ঊষার আলোর আগে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পারলেই যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে। জীবনে যে ঘুরে দাড়ানো সম্ভব তা ও ভুলে গিয়েছিল। একটা সময় কত মানুষকে বুঝিয়েছে, দিয়েছে সঠিক সমাধান, কখনো ভেঙে পড়তে দেয়নি প্রতিবেশীদের। কিন্তু কালক্রমে নিয়তির কাছে ধরা দিয়ে খালি চোখে সরষেফুল ছাড়া কিছুই দৃষ্টিতে আটকাতো না।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
নতুন লেখাগুলো পড়ুন...
দুশ্চিন্তার চিকিৎসা মূল: রশিদ আহমদ লুধিয়ানভি উর্দু: مفتی رشید احمد لدھیانوی জন্মঃ ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯২২ মৃত্যু...




