সৃজনশীল লেখালেখি প্রতিযোগিতা-২০১৮/চিঠি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সৃজনশীল লেখালেখি প্রতিযোগিতা-২০১৮/চিঠি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১১ জুন, ২০১৮

৫ম স্থান অধীকারিনীর চিঠি

মুন ইমু মুন

প্রিয় মা!

কেমন আছো তুমি? এই কথাটা জিজ্ঞেস করতে চাইলেও কেমন যেন হাহাকার করে ভেতরটা। তবুও জানতে ইচ্ছে হয় কেমন আছ মা? মা, তুমি আমার কাছে বিধাতার দেয়া পরম আশীর্বাদ। মা, তুমি এক স্বর্গীয় অনুভূতির নাম, তুমি মমতাময়
সম্পর্কের নাম, ভালোবাসার নাম তুমি। মা, তুমি এক চিলতে সুখের পরশের নাম।
অসীম আর অশেষের নাম মা। আমি যখন তোমার পেটে ছিলাম কী
অস্বাভাবিক কষ্টটাই না তোমাকে দিয়েছি। স্বাভাবিক কষ্টের চেয়েও
অতিরিক্ত যন্ত্রণা!

৪র্থ স্থান অধিকারিনীর চিঠি

জেসমিন জিনিয়া

প্রিয় ঝুমাপু,

কেমন আছো তুমি? কত্তদিন হয়ে গেল, খোঁজই নাওনা আমার! আচ্ছা আপু, ভালোবাসা মানেই কি নিজেকে খুইয়ে সারাক্ষণ তার জন্য অপেক্ষা করা?
একটা সময় খুব করে তার মেসেজের জন্য অপেক্ষা করতাম। মিনিটের পর মিনিট ফোনের স্ক্রিনে চেয়ে থাকতাম, কখন রিপ্লাইটা আসবে। কখনো খুব তাড়াতাড়ি পাই, আবার কখনোবা পাইই না। এমনও হয়েছে টানা একদিনের মত কথা হয় না। অ্যাকটিভ দেখার পর ১ মিনিট দেরিতে রিপ্লাই পেলেই যেখানে অনেক কষ্ট হয়, সেখানে এএএকদিন! ভাবতে পারছো তুমি?

৩য় স্থান অধিকারিনীর চিঠি

ইলা ইসরাত

প্রিয় বাবুই সোনা,

            কেমন আছিস মা? আমাকে ছাড়া, তোর বাবাকে ছাড়া থাকতে তোর কষ্ট হয় না?  মনে হয় এখন আর তোর কষ্ট হয় না আমারও কম হয়।বিশেষ এই দিনটিতেই তোকে খুব করে মনে পড়ে। তারপর তোর বয়সী কাউকে দেখলেই বুকের ভেতরটা কেঁদে উঠে। তখন আয়াতকে বুকে চেপে তোকে হারানোর কষ্টটা ভুলতে চেষ্টা করি। আয়াতের ছোট্ট ছোট্ট হাতের স্পর্শ যখন আমার চোখের জল মুছে দেয়, তখন প্রকৃতপক্ষেই তোকে হারানোর কষ্টটা একটু হলেও ভুলে যাই। ভুলে না শুধু তোর বাবা। নিজেকে আজও অপরাধী ভেবে সবার আড়ালে চোখের জল ফেলে তোর বাবা। আমি আর আয়াত ঘুমিয়ে গেলে লুকিয়ে লুকিয়ে তোর জন্য বানানো কাঁথা, তোর জন্য কিনে আনা খেলনাগুলি, ছোট্ট নুপুর, বালাগুলি বুকের মাঝে নিয়ে নিঃশব্দে কাঁদে।

শনিবার, ৯ জুন, ২০১৮

২য় স্থান অধীকারীর চিঠি

আল আমিন সরকার

প্রিয় স্বপ্নবিনাসী,

তোমাকে শুভেচ্ছা জানানোর মতো আমার কাছে তোমার বিরহে কুঁকড়ে যাওয়া হৃদয়ের গভীরে যাতনার বিষবাষ্পে সৃজিত তপ্ত দীর্ঘশ্বাস ব্যতিরকে কিছুই উচ্ছিষ্ট নেই। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই বিরহ জ্বালায় দগ্ধ তপ্ত দীর্ঘশ্বাসের শুভেচ্ছা দিলাম।
কেমন আছো জানতে চেয়ে বোকামী করবোনা।

১ম স্থান অধীকারীর চিঠি

নয়ন বিন বাহার

অপরাজিতা,

আজ খুব করে মনে পড়ে টুপ করে ঝরে যাওয়া সেই সব দিন।
তুমি ছিলে মহা গল্পবাজ। শুধু গল্প করতে। অল্প অল্প করে গল্পগুলো এত জমাতে পারতে যে, সব শুনে আমি ভীষম খেতাম। এত বিচিত্র গল্প।
রাস্তার পাশের গাছ থেকে একটা পাতা ঝরে পড়ার মধ্যে যে ভীষণ রকমের গল্প থাকতে পারে, তা তুমি না বললে কোনদিন জানা হতো না। জানা হতো না পাখির কিচিরমিচির মানে শুধু গোলমাল নয়; ওরা গল্প করে, পরম গল্প। সেই সব গল্প আবার তোমাকে ঘিরে।
আমি অবাক হতাম। হতাম মুগ্ধ।

নতুন লেখাগুলো পড়ুন...

      দুশ্চিন্তার চিকিৎসা   মূল: রশিদ আহমদ লুধিয়ানভি উর্দু: مفتی رشید احمد لدھیانوی ‎‎ জন্মঃ ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯২২ মৃত্যু...