কবির আহমদ খান
কবিতারা ছুটি নিয়েছে অনেক দিন হয়! সে কবে এক শুক্রবারে
একটি কবিতা লিখেছিলাম ; তারপর কত শুক্রবার পাড় হলো, কবিতা হলোনা। সেদিন একটা লিখেছিলাম বটে, তবে সে কবিতা'ও ছিল হাসি-খুশি, আনন্দে ভরা গল্পের মতো। কিন্তু আমি চেয়েছিলাম দুঃখের ছবি আঁকতে সাথীহারা হৃদয়ের আর্তনাদ হয়ে চিৎকার করতে নিকোটিনের ধোঁয়ায় কবিতার রং বদলাতে হতাশার আঁধারে ঢেকে দিতে আমার শহর। চেয়েছিলাম নিকষ আঁধারে চেনা রাস্তায় আগন্তুক হয়ে হাঁটতে দুমড়ে মুচড়ে পরে থাকা শুকনো পাতার মর্মর শব্দ হতে হঠাৎ ধেয়ে আসা শত কি.মি. বেগের ট্রাকের নিচে বলিদান হতে নয়তো কোনো আকস্মিক চায়া মূর্তির আবির্ভাবে বোবা হয়ে যেতে।
কবিতারা ছুটি নিয়েছে অনেক দিন হয়! সে কবে এক শুক্রবারে
একটি কবিতা লিখেছিলাম ; তারপর কত শুক্রবার পাড় হলো, কবিতা হলোনা। সেদিন একটা লিখেছিলাম বটে, তবে সে কবিতা'ও ছিল হাসি-খুশি, আনন্দে ভরা গল্পের মতো। কিন্তু আমি চেয়েছিলাম দুঃখের ছবি আঁকতে সাথীহারা হৃদয়ের আর্তনাদ হয়ে চিৎকার করতে নিকোটিনের ধোঁয়ায় কবিতার রং বদলাতে হতাশার আঁধারে ঢেকে দিতে আমার শহর। চেয়েছিলাম নিকষ আঁধারে চেনা রাস্তায় আগন্তুক হয়ে হাঁটতে দুমড়ে মুচড়ে পরে থাকা শুকনো পাতার মর্মর শব্দ হতে হঠাৎ ধেয়ে আসা শত কি.মি. বেগের ট্রাকের নিচে বলিদান হতে নয়তো কোনো আকস্মিক চায়া মূর্তির আবির্ভাবে বোবা হয়ে যেতে।
